ঢাকায় নিজের একটি বাড়ি গড়ার স্বপ্ন  সবারই থাকে। কাঙ্ক্ষিত বাড়িটি ক্রয় বা নির্মাণ করতে যেমন প্রয়োজন সময়ের তেমনি প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ অর্থের। ঠিক তখনই বেশির ভাগ মানুষের জন্য সমাধানের রাস্তা হয়ে উঠে দাঁড়ায় গৃহঋণ।বাড়ি নির্মাণ বা ক্রয়ের সময় হোম লোনের আইডিয়াটা বেশ প্রচলিত একটি ব্যাপার।

হোম লোন অ্যাপ্রুভের ক্ষেত্রে ব্যাংক ও অন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বরাবরই কিছুটা সাবধানী। অনেক রকমের কাগজপত্র চেক করে এবং নিশ্চিত হয়ে তবেই লোন প্রদান করে তারা। এই হোম লোন অনুমোদনের পুরো প্রক্রিয়াটি প্রতিষ্ঠানভেদে আলাদা হয়ে থাকে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রক্রিয়াগুলো প্রায় সব প্রতিষ্ঠানের একই রকম।

যেকোনো ধরনের হোম লোনের ক্ষেত্রেই প্রপার্টির মূল্যায়ন এবং মালিকানা যাচাই অন্যতম প্রধান দুটি ধাপ। দেখে নেওয়া যাক এগুলোর জন্য কী কী ডকুমেন্ট প্রয়োজন।

  1. প্রপার্টি ভ্যালিডেশন (মালিকানা যাচাই): বাড়ির দলিলপত্রগুলো যাচাইয়ের মাধ্যমে আপনার মালিকানার দাবি প্রমাণ। সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই না করে প্রপার্টি কিনলেও অনেক সময় পড়তে হয় নানা ঝামেলায়।মালিকানা যাচাইয়ের জন্য নিম্নোক্ত কাগজগুলোর প্রয়োজন হবে।
    1. মালিকানা দলিল।
    2. খতিয়ান (রেকর্ড অব রাইটস), স্বত্বলিপি বা পর্চা হলো ভূমি নির্ণয়ের একটি বিশেষ দলিল বা নথি।
    3. নামজারি।
    4. এনওসি (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট ।
    5. এনইসি (নো এনকামব্রেন্স সার্টিফিকেট)।
    6. সব খাজনার রসিদ হালনাগাদ আছে কি না, তা–ও খতিয়ে দেখতে হয়।
  2. প্রপার্টি ভ্যালুয়েশন(মূল্যায়ন) : প্রপার্টির বর্তমান বাজারমূল্য নির্ধারণ করা। সাধারণত কয়েকটি বিষয়ের ওপর লক্ষ করে প্রপার্টির মূল্যায়ন করে থাকে।
    1. একই ধরনের প্রপার্টি ক্রয় বা নির্মাণে কেমন খরচ হতে পারে।আশপাশের প্রপার্টির সঙ্গে মূল্য তুলনা করে দেখা।
    2. প্রপার্টির আয়তন এবং ব্যবহারযোগ্য স্থানও বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে।
    3. প্রপার্টি নির্মাণসামগ্রী, নকশা ও কার্যকারিতা ইত্যাদি।

এগুলোর যেকোনো একটি যদি অসম্পূর্ণ রয়ে যায়, হোম লোনের আবেদন বাতিল হতে পারে। তবে রিয়েল এস্টেট সার্ভিস প্রোভাইডার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াকে অনেকাংশেই সহজ করা সম্ভব।

হোম লোনের অনুমোদন দেওয়ার আগে প্রতিটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে যেতে হয় বিভিন্ন প্রকার দাপ্তরিক এবং যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে। সবকিছু ঠিক থাকলেই কেবল আবেদন মঞ্জুর করা হয়ে থাকে। এসব প্রক্রিয়ার মধ্যে প্রপার্টি মূল্যায়ন এবং মালিকানা যাচাইয়ের জন্যই প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যয় করতে হয় সিংহভাগ সময়।

তবে দায়িত্ব বণ্টনের মাধ্যমে এ পুরো প্রক্রিয়াটিকে বেশ কিছুটা দ্রুততর করা সম্ভব। প্রপার্টি মূল্যায়ন এবং মালিকানা যাচাইয়ের বিষয়টিকে কোনো রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বের আওতায় করে নিলে হোম লোন অনুমোদনের মতো জটিল ও সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়াও দ্রুততর ও সহজ হওয়া সম্ভব। এতে করে একই সঙ্গে যেমন সুগম হবে হোম লোন নেওয়ার প্রক্রিয়া।

এমনই কিছু প্রচেষ্টার করেছে দেশের রিয়েল এস্টেট সলিউশন প্রোভাইডার REIT(reit.com.bd)।.ফলে কোনো গ্রাহক চাইলে যাচাই–বাছাই করতে পারছেন এবং একাধিক অপশনের মধ্যে বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে REIT(reit.com.bd) সাপোর্ট দিবে ।

Published On: February 17th, 2021 / Categories: investment /

Subscribe To Receive The Latest News

Curabitur ac leo nunc. Vestibulum et mauris vel ante finibus maximus.

    Add notice about your Privacy Policy here.